সিলেবাস
- সূরা বাকারাহ– ২১, ৩৪ ও ৩৭ রুকু
- সূরা ইব্রাহীম– ৬, ৭ রুকু
- সূরা বনী ঈসরাঈল ৩, ৪ ও ৫ রুকু
- সূরা কাহফ
- সূরা মারইয়াম
- সূরা নূর ৩–৪ রুকু
- সূরা ফুরকান ৬ষ্ঠ রুকু
- সূরা আদ–দাহর
- সূরা কদর থেকে হুমাযাহ
যেসব বিষয়গুলো আমরা শিখতে পারবো -
সিলেবাসের আলোকে সূরাগুলোর পরিচয়
কুরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতার সিলেবাসে যেসব সূরা রয়েছে সেগুলোর পরিচয়-
সূরা বাকারাহঃ কুরআনের দ্বিতীয় সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ২৮৬ টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ৪০ টি। আল বাকারা সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। বাকারাহ মানে গাভী। এ সূরার ৬৭ থেকে ৭৩ নম্বর আয়াত পর্যন্ত হযরত মুসা আঃ এর সময়কার বনি ইসরাইল এর গাভী কুরবানীর ঘটনা উল্লেখ থাকার কারণে এর এই নামকরণ করা হয়েছে।
সূরা ইব্রাহীমঃ কুরআনের চৌদ্দতম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ৫২ টি। এই সূরার ৩৫ নং আয়াতে উল্লেখিত وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَذَا الْبَلَدَ آمِنًا বাক্যাংশ থেকে পবিত্র সূরার নামকরণ করা হয়। পবিত্র এ সূরায় ইব্রাহীম জীবন বৃত্তান্ত বর্ণনা করা হয়েছে।
সূরা বনী-ঈসরাঈলঃ বনী-ইসরাঈল এর আরেকনাম সূরা ইসরা কুরআনের ১৭ তম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ১১১ টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১২ টি। বনী-ইসরাঈল সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।
সূরা কাহাফঃ কুরআনের ১৮ তম সূরা৷ এর আয়াত সংখ্যা ১১০ টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১২ টি। আল কাহফ সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। কাহাফ শব্দের অর্থ গুহা।
সূরা মারইয়ামঃ কুরআনের ১৯ নম্বর সূরা; এর আয়াত সংখ্যা ৯৮ এবং রূকু সংখ্যা ৬। সূরা মারইয়াম মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। মারইয়াম আঃ হলেন ঈসা আঃ এর মাতা।
সূরা নূরঃ কুরআনের ২৪ তম সূরা। মোট ৬৪ আয়াত, রুকু সংখ্যা ৬। সূরার নামের বাংলা অর্থ আলো। এটি মাদানী সূরা। এ সূরায় হযরত আয়েশা রা. এর উপর দেওয়া অপবাদ খন্ডন করা হয়েছে যা ইফকের ঘটনা নামে পরিচিত।
সূরা ফুরকানঃ কুরআনের ২৫ তম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এ সূরার আয়াত সংখ্যা ৭৭টি এবং রুকু সংখ্যা ৬ টি। আল ফুরকান অর্থ সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী।
সূরা দাহরঃ সূরা আদ-দাহর কুরআনের ৭৬ নম্বর সূরা; এর আয়াত সংখ্যা ৩১ এবং রূকু সংখ্যা ২। এই সূরাটি সূরা আল ইনসান নামেও পরিচিত। সূরা আদ-দাহর মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। সূরার নামের অর্থ মানুষ।
সূরা ক্বাদরঃ কুরআনের ৯৭ তম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এ সূরার আয়াত সংখ্যা ৫টি এবং রুকু সংখ্যা ১ টি। ক্বাদর শব্দের অর্থ মাহাত্ম্য ও সম্মান।
সূরা বাইয়্যিনাহঃ কুরআন মাজীদের ৯৮ তম সূরা। এতে রয়েছে ৮টি আয়াত এবং ১টি রুকু। সূরাটি মাদানী সূরা। আল বাইয়্যিনাহ অর্থ সুস্পষ্ট প্রমাণ।
সূরা যিলযালঃ কুরআন মাজীদের ৯৯ তম সূরা। এতে রয়েছে ৮টি আয়াত এবং ১টি রুকু। সূরাটি মাদানী সূরা। সূরা আল-যিলযাল এর বাংলা অর্থ- ভূমিকম্প।
সূরা আদিয়াতঃ কুরআনের ১০০ তম সূরা, এর আয়াতের সংখ্যা ১১টি, এর রূকুর সংখ্যা ১টি এবং ৩০ পারা। আ’দিয়াত সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। আল-আদিয়াত এর বাংলা অর্থ হল অভিযানকারী। সূরা ক্বারিয়াহ কুরআন মাজীদের ১০১ তম সূরা। এতে রয়েছে ১১টি আয়াত এবং ১টি রুকু। সূরাটি মাক্কী সূরা। ক্বারিয়াহ অর্থ মহাসংকট।
সূরা তাকাসুরঃ কুরআনের ১০২ তম সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৮ টি এবং রূকুর সংখ্যা ১। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। আত তাকাসুর অর্থ প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা।
সূরা আসরঃ কুরআনের ১০৩ তম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ৩ টি। ‘আসর’ এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে সময়, যেটা শেষ হয়ে আসছে।
সূরা হুমাযাহঃ কুরআনের ১০৪ তম সূরা। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ৯ টি। হুমাযাহ অর্থ নিন্দুক।