নমুনা প্রশ্ন হুবহু কখনো প্রতিযোগিতার প্রশ্ন হিসাবে থাকবে না। নমুনা প্রশ্নগুলো দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের দেওয়া নোটগুলো থেকে প্রশ্ন কিভাবে হবে, সেটা ধারণা দেওয়া।
১. সূরা আল আরাফ নামকরণের কারণ কী?
ক) এটি কুরআনের প্রথম সূরা
খ) এতে “আসহাবে আরাফ” এর উল্লেখ রয়েছে
গ) এটি মদীনায় নাজিল হয়েছে
ঘ) এটি সবচেয়ে দীর্ঘ সূরা
২. সূরা আল আরাফের মূল বার্তা কী?
ক) ইসলামিক যুদ্ধনীতি
খ) দানের গুরুত্ব
গ) নবুয়ত ও রিসালাতের দাওয়াত
ঘ) কিয়ামতের আলামত
৩. ইবলীস কীসের থেকে সৃষ্টি করা হয়েছিল?
ক) পানি
খ) আগুন
গ) মাটি
ঘ) নূর
৪. শয়তান আদম (আঃ)-এর বিরুদ্ধে কীসের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করেছিল?
ক) ফেরেশতাদের মত ইবাদত করার কারণে
খ) আগুন থেকে সৃষ্টি হওয়ার কারণে
গ) অধিক জ্ঞান থাকার কারণে
ঘ) বেশি বয়সী হওয়ার কারণে
৫. ‘লিবাসুস তাকওয়া’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা পোশাক
খ) কেবল শীত ও গ্রীষ্ম থেকে রক্ষা পাওয়ার পোশাক
গ) এমন পোশাক, যা লজ্জাস্থান আবৃত করে ও তাকওয়া প্রদর্শন করে
ঘ) ব্যয়বহুল ও বিলাসবহুল পোশাক
৬. ইসলামে পোশাক পরিধানের উদ্দেশ্য কী?
ক) শুধুমাত্র শারীরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা
খ) তাকওয়া ও আল্লাহভীতি প্রকাশ করা
গ) সমাজে উচ্চ মর্যাদা প্রদর্শন করা
ঘ) শুধুমাত্র প্রভাব বিস্তার করা
৭. মানুষের পোশাকের মূল উদ্দেশ্য কী?
ক) কেবল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা
খ) শুধুমাত্র আরামের জন্য পরিধান করা
গ) গুপ্তাঙ্গ আবৃত করা এবং তাকওয়ার প্রকাশ ঘটানো
ঘ) অন্যদের চেয়ে ভালো দেখানো
৮. শয়তান আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ)-কে কীভাবে প্ররোচিত করেছিল?
ক) সত্য কথা বলে
খ) মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে
গ) সরাসরি বাধ্য করে
ঘ) স্বপ্ন দেখিয়ে
৯.সূরা রা’দ নাজিল হয়েছে কোন সময়ে?
ক) নবুয়তের একেবারে শুরুতে
খ) মদীনায় হিজরতের পর
গ) মক্কার শেষ যুগে
ঘ) রাসূল (সা.)-এর বিদায় হজের সময়
১০. সূরা রা’দ-এর পূর্ববর্তী সূরা কোনটি?
ক) সূরা ইউসুফ
খ) সূরা ইব্রাহীম
গ) সূরা হূদ
ঘ) সূরা ফাতিহা
১১. পানির উদাহরণের মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) পানি সবকিছুকে আকার দেয়
খ) সত্য স্থায়ী ও বাতিল ক্ষণস্থায়ী
গ) জীবন পানির ওপর নির্ভরশীল
ঘ) মানুষ ও জানোয়ারের প্রয়োজন এক
১২. আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা নিজেদের পরিবর্তন করে। এটি কী বোঝায়?
ক) তাকদীর পরিবর্তন সম্ভব
খ) মানুষ নিজের কর্মের দ্বারা ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে
গ) আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন, তা অপরিবর্তনীয়
ঘ) মানুষের চেষ্টা ও কর্মই তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে
১৩. আল্লাহ তা’আলার আনুগত্যশীলদের প্রতিদান সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
ক) জান্নাতে তারা থাকবে এবং তাদের বাপ-দাদা, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য কিছু থাকবে না
খ) ফেরেশতারা তাদেরকে সালাম দিয়ে সম্ভাষণ জানাবে
গ) জান্নাতের মধ্যস্থলে তারা থাকবে
ঘ) উক্ত সবকিছু সঠিক
১৪. কুরআনের ব্যাপারে মুশরিকদের অবস্থান কী ছিল?
ক) তারা কুরআনকে গ্রহণ করেছিল।
খ) তারা কুরআনকে অস্বীকার করেছিল, যদিও তারা মু’জিযাহ দেখতে চেয়েছিল।
গ) তারা কুরআনকে ও নবীকে সম্পূর্ণ গ্রহণ করেছিল।
ঘ) তারা কুরআনকে ঈমানের সাথে মেনে নিয়েছিল।
১৫. “তুবা” শব্দের অর্থ কী?
ক) পুণ্য ও কল্যাণ
খ) পৃথিবী
গ) বিশেষ জায়গা
ঘ) জান্নাতের গাছ
১৬. পৃথিবী সংকীর্ণ হবে কিভাবে?
ক) পৃথিবী সবকিছুর শেষ হওয়ার মাধ্যমে সংকীর্ণ হয়ে যাবে।
খ) পৃথিবী স্বাভাবিকভাবে সংকীর্ণ হয়ে যাবে।
গ) পৃথিবী কখনও সংকীর্ণ হবে না।
ঘ) পৃথিবী সংকীর্ণ হতে থাকবে।
১৭. শিরককে কেন “প্রতারণা” বলা হয়েছে?
ক) শিরক একমাত্র আল্লাহর গুণ বা ক্ষমতাকে খাটো করে তুলে।
খ) কিছু অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যক্তিরা শিরক সৃষ্টি করেছে।
গ) শিরক মানুষকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করে এবং এটি সত্যের প্রতি সুস্পষ্ট প্রতারণা।
ঘ) সবগুলো সঠিক।
১৮. যিকিরের মাধ্যমে কী লাভ হয়?
ক) শান্তি ও প্রশান্তি
খ) দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা
গ) অভাব
ঘ) কোনো লাভ হয় না
সূরা জাসিয়াহ
১৯. সূরা আল জাসিয়াহ কুরআনের কোন সূরা?
ক)৩৫তম সূরা
খ) ৪৫তম সূরা
গ) ৪০তম সূরা
ঘ) ৫০তম সূরা
২০. সূরা আল জাসিয়াহ এর আয়াত সংখ্যা কত?
ক) ৩০ আয়াত
খ) ৩৭ আয়াত
গ) ৪০ আয়াত
ঘ) ৪৫ আয়াত
২১. সূরা আল জাসিয়াহ কোন স্থানে নাযিল হয়েছে?
ক) মদিনা
খ) মক্কা
গ) উহুদ
ঘ) তায়েফ
২২ সূরা আল জাসিয়াহ নামের অর্থ কী?
ক) শান্তি
খ) সৃষ্টির প্রমাণ
গ) নতজানু হওয়া
ঘ) সৎপথের অনুসরণ
২৩. সূরা আল জাসিয়াহ-এ তাওহীদের সপক্ষে কোন প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে?
ক) মানুষের অস্তিত্ব থেকে শুরু করে আসমান ও যমীনে প্রতিটি বস্তু
খ) কুরআনের বাণী
গ) নবী-রাসূলদের জীবনী
ঘ) ইতিহাসের মহাপ্রকৃতির গল্প
২৪. সূরা আত-তাগাবুন এর নামের অর্থ কী?
ক) পৃথিবীর মহা শাস্তি
খ) মোহ অপসারণ
গ) সৃষ্টির উদ্দেশ্য
ঘ) বিশ্বাসের শক্তি
২৫. সূরা আত-তাগাবুন এর ফযিলত সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
ক) এর মধ্যে একটি আয়াত এক হাজার আয়াতের সমান
খ) এই সূরা পরকালের শাস্তি বর্ণনা করে
গ) এই সূরার পাঠ সহজ
ঘ) সূরা তাগাবুন শুধু মক্কায় নাযিল হয়েছে
২৬. নবী-রাসূলগণের দায়িত্ব কী ছিল?
ক) মানুষের ঈমান কিভাবে বাড়ানো যায় তা শেখানো
খ) আল্লাহর বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া
গ) মানুষকে ঈমানের পথে বাধ্য করা
ঘ) মানুষের দোয়া কবুল করা
২৭. প্রকৃত ঈমানের চিহ্ন কী?
ক) লোকদের কাছে ভালোবাসা পাওয়া
খ) আল্লাহর প্রতি নির্ভরতা (তাওয়াক্কুল)
গ) সম্পদ বেশি থাকা
ঘ) সৎকাজের প্রতি ভালোবাসা
২৮. সূরা আল-কলম কুরআনের কোন সূরা?
ক) ৬৫ তম
খ) ৬৮ তম
গ) ৭০ তম
ঘ) ৬০ তম
২৯. সূরা আল-কলমের নাযিল হওয়ার সময়কাল কী ছিল?
ক) মদিনায়
খ) মক্কায়
গ) উহুদ যুদ্ধে
ঘ) হিজরত পরবর্তী সময়
৩০. সূরা আল-কলমে প্রথম আয়াতে কিসের শপথ করা হয়েছে?
ক) আল্লাহর
খ) কলম এবং লেখক (ফেরেশতাদের)
গ) কুরআনের
ঘ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের
৩১. কাফেররা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কী বলেছিল?
ক) মিথ্যাবাদী
খ) পাগল
গ) ন্যায়পরায়ণ
ঘ) মহান ব্যক্তি
৩২.সূরা মাআরিজের নামকরণের কারণ কী?
ক) সূরার প্রথম আয়াত
খ) তৃতীয় আয়াতের শব্দ “ذِي الْمَعَارِجِ” (যিল মাআরিজি)
গ) আল্লাহর শপথ
ঘ) রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর আদেশ
৩৩. সূরা মাআরিজে আল্লাহ কাদের জান্নাতে স্থান দেওয়ার কথা বলেছেন?
ক) যারা নিজের ধন-সম্পদ সযত্নে আগলে রেখেছে
খ) যারা আখেরাতকে বিশ্বাস করে, নামায পড়ে, এবং আল্লাহর বান্দাদের হক আদায় করে
গ) যারা অন্যায়ভাবে ধন-সম্পদ জমা করেছে
ঘ) যারা কিয়ামত নিয়ে হাস্যকর মন্তব্য করেছে
৩৪. সূরা মাআরিজের কিয়ামত সম্পর্কিত কাফেরদের আচরণের বর্ণনা কী ছিল?
ক) তারা কিয়ামত দ্রুত আসার দাবি করত এবং তা হাস্যকরভাবে উপহাস করত
খ) তারা কিয়ামত নিয়ে ভীত ছিল এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিল
গ) তারা কিয়ামত নিয়ে সন্দিহান ছিল এবং বিশ্বাস করত না
ঘ) তারা কিয়ামতের ভয়াবহতা বুঝে নিজেকে সঠিক পথে চালিত করেছিল
৩৫. কিয়ামতের দিন আসমান ও নক্ষত্রমণ্ডলীর কী অবস্থা হবে?
ক) আসমান অক্ষত থাকবে এবং নক্ষত্র ম্লান হয়ে যাবে
খ) আসমান বিদীর্ণ হবে, নক্ষত্রমণ্ডলী বিক্ষিপ্তভাবে ঝরে পড়বে
গ) আসমান ফেটে যাবে, কিন্তু নক্ষত্র থাকবে
ঘ) আসমান এবং নক্ষত্র তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না
৩৬. আবরার (পুণ্যবান) কিভাবে থাকবে কিয়ামতের দিন?
ক) তারা জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে
খ) তারা জান্নাতে থাকবে আরাম-আয়েশ ও সম্মানের সাথে
গ) তারা দুনিয়ায় শান্তিতে থাকবে
ঘ) তারা ন্যায়বিচার পাবে, কিন্তু অন্যদের মত সুষ্ঠু পরিস্থিতি থাকবে না
৩৭. সূরা ইনফিতারে কিয়ামতের দিন সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
ক) সেদিন সবাইকে তাদের আমল অনুযায়ী পুরস্কৃত করা হবে
খ) কিয়ামতের দিন প্রত্যেকের আমল নামা তার সামনে উপস্থিত হবে
গ) সেদিন শুধু ভালো মানুষদের জান্নাতে পাঠানো হবে
ঘ) পাপীরা শুধু সশরীরে শাস্তি ভোগ করবে
৪২. সূরা আত মুত্বাফ্ফিফীন-এর ৭ থেকে ১৭ পর্যন্ত আয়াতে কী বর্ণনা করা হয়েছে?
ক) দুষ্কৃতিকারীদের কাজের বিবরণ
খ) সৎ লোকদের উত্তম পরিণতি
গ) ঈমানদারদের ধৈর্য
ঘ) কিয়ামতের অবস্থা
৪৩. সূরা আত মুত্বাফ্ফিফীন-এর শানে নাযূল সম্পর্কে কি বলা হয়েছে?
ক) মদীনায় মাপে ও ওজনে কম-বেশী করার ব্যাপকতা
খ) মক্কায় প্রতারণার কঠিন শাস্তি
গ) মদীনার লোকদের সততার উদাহরণ
ঘ) কুরআনের মাপে সততা বজায় রাখা
৪৪. গুনাহের পরিণতি কী হতে পারে?
ক) সমাজে সম্মান বৃদ্ধি
খ) আল্লাহর বাণী বোঝার ক্ষমতা হ্রাস
গ) আত্মবিশ্বাসের বৃদ্ধি
ঘ) কিয়ামতের দিন ঈমানের শক্তি বাড়ে
৪৫. ইল্লিয়্যীন কী?
ক) মুমিনদের রূহ ও আমলনামা সংরক্ষিত একটি স্থান
খ) কিয়ামতের দিন সৎকর্মীদের পুরস্কার
গ) জান্নাতের শীর্ষ স্থান
ঘ) সিজ্জীনের বিপরীত স্থান
৩৮. সূরা আল ইনশিকাকের সিজদাহ কতটি রয়েছে?
ক) ১টি
খ) ২টি
গ) ৩টি
ঘ) ৪টি
৩৯. সূরা আল ইনশিকাকের প্রথম পাঁচটি আয়াতে কি বর্ণনা করা হয়েছে?
ক) কিয়ামতের অবস্থা এবং প্রমাণ পেশ করা
খ) জান্নাতের বর্ণনা
গ) পৃথিবী সৃষ্টি হওয়ার বিবরণ
ঘ) শয়তানের কার্যকলাপ
৪০. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ) কী বলেছেন সূরা ইনশিকাক সম্পর্কে?
ক) এটি কেবল মক্কি সূরা
খ) কিয়ামতের দৃশ্য দেখতে চাইলে এই সূরা পড়তে হবে
গ) এটি একটি মদিনী সূরা
ঘ) এটি বিশেষভাবে যুদ্ধ সম্পর্কিত সূরা
৪১. সূরা আল ইনশিকাকের ৬ থেকে ১৯ পর্যন্ত আয়াতে কী বলা হয়েছে?
ক) মানুষের আখিরাতের পরিণতি
খ) পৃথিবীর সৃষ্টি
গ) মক্কার কাফেরদের শাস্তি
ঘ) ঈমানের গুরুত্ব